ঢাকা বিভাগবরিশাল বিভাগসারাদেশ

করোনার মধ্যেই ঈদ করতে দলবেঁধে হাজার মানুশের ভির ফেরিঘাট এ

আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই ঈদ-উল-ফিতর। এরইমধ্যে রাজধানী শহর ঢাকার আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকেরা বাসায় ফেরার জন্য রওনা দিয়েছেন। অবস্থায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট সহ দেশের বিভিন্ন রুটে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ

সোমবার (১৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লেগে যায়। সকাল থেকেই ফেরিঘাটের উভয় পাড়ে ভিড় করেছেন যাত্রীরা। ঘরমুখী মানুষ ও গাড়ির বাড়তি চাপ সামাল দিতে চারটি ফেরির বদলে ১২টি ফেরি চালু করেছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এরপরও সামাল দেয়া যায়নি যাত্রীদের চাপ। বিকেল পর্যন্ত দলে দলে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি দিয়ে ঘরে ফিরেছে মানুষ।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি উপেক্ষা করে কয়েকদিন আগে যেমন কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ ছিল ঘাটে, তেমন আজও সকল বাধা উপেক্ষা করে বাড়ি ফিরছে মানুষ। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন। সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা তো দূরের কথা একজন আরেকজনের গায়ে উঠে মনে হয়েছে গন্তব্যে গেছেন। এ নিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে গেল দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে চড়ে ঘাটে এসে ভিড় করেছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মানদী পাড়ি দিয়েছেন তারা।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট সহ দেশের বিভিন্ন নৌরুটে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ছোট বড় অনেক গাড়িসহ হাজার হাজার মানুষ। বাস বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে যাত্রীরা মাইক্রোবাস প্রাইভেট কার লেগুনা মোটরসাইকেল রিকশা-ভ্যান এসেছেন ফেরিঘাটে। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে ফেরি পারাপার বন্ধ রয়েছে

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close